Monday, June 27, 2022

Pachok Mustard Oil- 80 ml

 F.M
Manufacturing Ltd is a famous local brand who sells all Types of
grocery Food in lower cost. Customers can find their desired unique
products


Pachok Mustard Oil -250 ml

 F.M
Manufacturing Ltd is a famous local brand who sells all Types of
grocery Food in lower cost. Customers can find their desired unique
products for a reasonable price within time.


Pachok Mustard Oil - 500ml

 F.M
Manufacturing Ltd is a famous local brand who sells all Types of
grocery Food in lower cost. Customers can find their desired unique
products for a reasonable price within time.


Pachok Mustard Oil-5 Litre

 Pachok Pure Mustard Oil is manufactured from the finest grade of indigenous mustard seeds and purified in fully automated plant.


Pachok Mustard Oil - 1L

 Pachok Pure Mustard Oil is manufactured from the finest grade of indigenous mustard seeds and purified in fully automated plant.


Pachok Mustard Oil-2Litre

 Pachok Pure Mustard Oil is manufactured from the finest grade of indigenous mustard seeds and purified in fully automated plant.


মূলধন / বিনিয়োগকারী আবশ্যক!!

 মূলধন / বিনিয়োগকারী আবশ্যক!!

প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এফ.এম কম্পিউটার আইটি লিমিটেড সাব সিডিউর বিজনেস হিসেবে পাচক সরিষার তৈল উৎপাদন করতে যাচ্ছে যাহার দরুন এর ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য সল্প পরিসরে কিছু বিনিয়োগ প্রয়োজন।
সম্পুর্ন ইসলামী শরিয়া মোতাবেক ব্যবসার লভ্যাংশ শেয়ার করা হবে। যা লাখ প্রতি অনুমানিক ২ থেকে ৫ হাজার হতে পারে।।অথবা অত্র এফ.এম কম্পিউটার আইটি লিঃ এর শেয়ার কিনে কোম্পানীর অংশীদার হতে পারেন।
আগ্রহী বিনিয়োগকারীদের কে বিস্তারিত আলোচনা এবং তথ্যের জন্য আমাদের পেজে নক করতে পারেন অথবা সরাসরি আমাদের অফিসে এসে কথা বলতে পারেন -
অফিস ঠিকানা: সেলিম আহমেদ কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স মার্কেট, কামরাঙ্গাচালা, মৌচাক, কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
প্রধান কার্যালয়ঃ বাড়ী#২৮৬, লোহাকৈর, কাশিমপুর, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন, গাজীপুর-১৭৪৬

Sunday, June 26, 2022

মূলধন / বিনিয়োগকারী আবশ্যক!!

প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এফ.এম কম্পিউটার আইটি লিমিটেড সাব সিডিউর বিজনেস হিসেবে পাচক সরিষার তৈল উৎপাদন করতে যাচ্ছে যাহার দরুন এর ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য সল্প পরিসরে কিছু বিনিয়োগ প্রয়োজন।

সম্পুর্ন ইসলামী শরিয়া মোতাবেক ব্যবসার লভ্যাংশ শেয়ার করা হবে। যা লাখ প্রতি অনুমানিক ২ থেকে ৫ হাজার হতে পারে।।অথবা অত্র এফ.এম কম্পিউটার আইটি লিঃ এর শেয়ার কিনে কোম্পানীর অংশীদার হতে পারেন।
আগ্রহী বিনিয়োগকারীদের কে বিস্তারিত আলোচনা এবং তথ্যের জন্য আমাদের পেজে নক করতে পারেন অথবা সরাসরি আমাদের অফিসে এসে কথা বলতে পারেন -
অফিস ঠিকানা: সেলিম আহমেদ কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স মার্কেট, কামরাঙ্গাচালা, মৌচাক, কালিয়াকৈর, গাজীপুর।

প্রধান কার্যালয়ঃ বাড়ী#২৮৬, লোহাকৈর, কাশিমপুর, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন, গাজীপুর-১৭৪৬ www.facebook.com/pachok.spices


Saturday, June 25, 2022

রোগ প্রতিরোধ করবে সরিষার তেল

আবহমান কাল থেকেই বাংলাদেশে সরিষার চাষ হয়। গ্রামের অধিকাংশ মানুষ রান্নায়, ঠাণ্ডা সারাতে, নবজাতকের যত্নে সরিষার তেল ব্যবহার করে থাকেন। আগে নিজ বাড়িতে সরিষার তেলের ঘানি ভাঙালেও এখন আর তেমনটা চোখে পড়ে না। বর্তমানে বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। শরীরের যত্নে বাজারে হাতের কাছেই পাওয়া যায় নজরকাড়া ঘ্রাণের দেশি-বিদেশি লোশন।
তবে বাজারের বিভিন্ন ধরনের লোশনের ভিড়ে টিকে আছে গ্রামবাংলার মানুষের কাছে প্রিয় সরিষার তেল। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে সরিষার তেল বিভিন্ন ধরনের রোগ-প্রতিরোধে সাহায্যে করে। কিন্তু এই বিষয়টি আমাদের অনেকেরই অজানা।
সরিষার তেল কীভাবে রোগ-প্রতিরোধে সাহায্য করবে এ বিষয়ে জানিয়েছে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।যুগান্তর পাঠকের জন্য থাকছে সরিষার তেল কীভাবে বিভিন্ন রোগ-প্রতিরোধে সাহায্য করে।
আসুন জেনে নেই সরিষার তেলে বিভিন্ন গুণাগুণ সম্পর্কে।
ঠাণ্ডা-কাশি কমাতে
সুপ্রাচীন কাল থেকে ঠাণ্ডা-কাশি সারেতে সরিষার তেলের জুড়ি নেই। সরিষার তেল শ্বাসতন্ত্রের বাধা পরিষ্কার করে; অ্যাসমা ও সাইনাসের সমস্যা কমায়।
ব্যথা কমায়
ব্যথা কমাতেও সাহায্যে করে সরিষার তেল। সরিষার তেল গাঁটের ব্যথা ও ফোলা কমাতে ভালো কাজ করে।এছাড়া সরিষার তেলে থাকা প্রদাহরোধী উপাদানের জন্য এটি রিউমাটিসজম ও আরথ্রাইটিস কমায়।
মাড়ির শক্তি বাড়াতে
মাড়ির শক্তি বাড়াতে সরিষার তেল বিশেষভাবে কাজ করে।এটি প্লাক কমাতে ও দাঁত ব্যথা কমাতেও কাজ করে।
হৃৎপিণ্ডের রোগ-প্রতিরোধ করে
সরিষার তেলে ওমেগা তিন ও ওমেগা ছয় ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। এটি হৃৎপিণ্ডকে স্বাস্থ্যকর রাখে। তাই হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে রান্নায় নিয়মিত সরিষার তেল ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া শরীরের বাজে কোলেস্টেরল সরিষার তেল কাজ করে।
ক্যানসার প্রতিরোধে
সরিষার তেল পাকস্থলীর ক্যানসার ও কোলোন ক্যানসার প্রতিরোধে উপকারী। তেলের মধ্যে থাকা গ্লুকোসাইনোলেট ক্যানসার ও টিউমার প্রতিরোধ করে।


সরিষার তেলের জানা-অজানা উপকারিতা

ওজন কমাতে আমরা খাবারের দিকে গুরুত্ব দিলেও কোন তেল দিয়ে রান্না করা হচ্ছে সে বিষয়টি এড়িয়ে যায় অনেক সময়। আমরা যে তেলে রান্না করি তাতে স্যাচুরেটেড এবং আনস্যাচুরেটেড, দু ধরনের ফ্যাট থাকে। স্যাচুরেটেড ফ্যাট আমাদের শরীরের জন্য খারাপ হলেও, আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট কিন্তু শরীরের উপকার করে। সেই হিসেবে শরীরের ভালোর জন্য সরিষা তেল খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিজ্ঞাপন
সরিষার তেলের বদলে রিফাইন্ড ভেজেটেবল অয়েল ব্যবহার করেন অনেকই। কিন্তু বাঙালির রান্নাঘরে সরিষা তেলের ঝাঁঝই মানানসই। শুধু তাই না পুষ্টিবিদরাও সরিষার তেলের গুণের কথা বলছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘানি থেকে আনা সরিষার তেল স্বাস্থ্য এবং ত্বকের জন্যে খুবই ভালো।
বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হল করোনারি হার্ট ডিজিজ । আর রান্নার তেলের কারণে এই হার্টের রোগের ঝুঁকি কয়েকগুণ বাড়ে। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, সরিষার তেল মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত যা কোলেস্টেরলের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করতে এবং করোনারি হার্ট ডিজিজের ঝুঁকি হ্রাস করতে পারে।
যেভাবে সরিষার তেল ওজন কমায়?
সরিষার তেলের রান্না হার্ট, হাড়, হজম এবং স্নায়ুতন্ত্রের জন্য স্বাস্থ্যকর সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। এতে মনোস্যাচুরেটেড এবং পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। এই তেল ডিপ ফ্রাই, খাবার গরম এবং খাবারে অনন্য স্বাদ আনতে কার্যকর। যারা পেটের সমস্যায় ভোগেন বা যাদের হজমে সমস্যা রয়েছে তাদের প্রতিদিনের রান্নায় সরিষার তেল ব্যবহার করা উচিত। এই তেল হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। আর দ্রুত খাবার হজম হলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।
ফ্যাটের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে সরিষার তেল
সরিষার তেলের কড়া ঝাঁঝের জন্য আজকাল অনেকে ব্যবহার করতে চান না। কিন্তু এতে আছে ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড। স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি অ্যাসিড কেবল খাবারের স্বাদই উন্নত করে না, রক্তে চর্বির মাত্রাও হ্রাস করে।
সরিষার তেলের উপকারিতা
১. সরিষার তেলে রয়েছে মনোস্যাচুরেটেড এবং পলিঅনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী।
২.এ ছাড়া এটি ভালো কোলেস্টেরল বৃদ্ধিতেও সহায়ক।
৩.সরিষা তেলের ক্যান্সার বিরোধী বৈশিষ্ট্যোর কারণে তা ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে পারে।
৪. সরিষা তেল জয়েন্টের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
৫.ত্বকের যত্নেও সরিষা তেল অতুলনীয়।
যেকোন ধরণের রান্নায় আস্তে আস্তে সরিষা তেল ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তুলুন। তবে ভাজা জাতীয় খাবারে সরিষার তেল এড়িয়ে চলা উচিত।

Friday, June 24, 2022

উচ্চ রক্তচাপ ও চর্বি কমাতে পারে সরিষার তেল

 শরীরের উচ্চ রক্তচাপ ও চর্বি কমিয়ে দিতে পারে সরিষার তেল। এর ব্যবহারে কার্ডিওভাস্কোলার রোগগুলোও কমে যেতে পারে। কারণ এ তেলে রয়েছে মনোআনস্যাচুরেটেড (একক অসম্পৃক্ত) ফ্যাটি এসিড। বাংলাদেশে হাজার বছর থেকে সরিষার তেল ভোজ্যতেল হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছিল। দেশের সত্তর ঊর্ধ্ব ব্যক্তিরা এখনো বলেন, তাদের ছেলেবেলায় ভোজ্যতেল হিসেবে সরিষার তেল খাওয়া ছাড়াও নানা ধরনের ওষুধে সরিষার তেল ব্যবহার হতো। কিন্তু স্বাধীনতার পর হঠাৎ করে সরিষার ব্যবহার কমে যায়। চলতি শতকের শুরু থেকেই বাংলাদেশে যে হারে হৃদরোগী ও উচ্চ রক্তচাপের রোগী বেড়েছে আগে এত বেশি মানুষের এ রকম রোগ হতো না।

গবেষণা রিপোর্টে দেখা যায়, সরিষার তেলে অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিডের পরিমাণ ৬৫ থেকে ৭২ শতাংশ এবং সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিডের পরিমাণ ৬ থেকে ১০ শতাংশ। এ তেলে আরো কিছু অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড রয়েছে, যেগুলোর পরিমাণ বাংলাদেশে এখন বহুল ব্যবহৃত সয়াবিন তেলে মনোআনস্যাচুরেটেড বা অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিডের পরিমাণ অনেক কম। ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তিরা এখন বলছেন, অসত্য কিছু প্রচারণার কারণে বাংলাদেশে সরিষার তেলের উৎপাদনে ধস নামে এবং তেলের চাহিদা মেটানোর জন্য আমদানি হতে থাকে সয়াবিন তেল। ফলে বাংলাদেশে কার্ডিওলজির রোগী বাড়তে থাকে। ৮০ ও ৯০-এর দশকেও বাংলাদেশে হাতেগোনা কয়েকজন কার্ডিওলজিস্ট ছিলেন। এখন সময়ের ব্যবধানে শত শত কার্ডিওলজিস্ট বেড়েছে। কারণ কার্ডিওলজির রোগী বেড়েছে কয়েক গুণ। একবার কেউ কার্ডিওলজি সমস্যায় ভুগলে তা থেকে স্থায়ী মুক্তি পাওয়া যায় না; সারাজীবনই ওষুধ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে যেতে হয় বেঁচে থাকতে।
গবেষণা জার্নাল থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যাচ্ছে, সয়াবিন তেলে সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিডের পরিমাণ প্রায় ১৫ শতাংশ, মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিডের পরিমাণ ২২ থেকে ২৩ শতাংশ। ফলে সয়াবিন তেলের চেয়ে সরিষার তেল অনেক স্বাস্থ্যকর। কারণ এতে কেমিক্যাল প্রসেস করতে হয় না, যা সয়াবিনে অবশ্যম্ভাবী। আগেতো কাঠের ঘানিতে সরিষার তেল ভাঙ্গানো হতো। এখন মেশিনের সাহায্যে ভাঙ্গায় কিন্তু এতে কোনো ধরনের রাসায়নিক প্রসেস করতে হয় না। তবে অসাধু ব্যবসায়ীরা বেশি মুনাফার লোভে বাজারের সস্তা পামঅয়েল অথবা মেশিন অয়েল ব্যবহার করে সরিষার তেলের পরিমাণ বাড়ায় এবং এতে গন্ধ যোগ করার জন্য কেমিক্যাল মেশানো হয়। এ ধরনের সরিষার তেল স্বাস্থ্যের জন্য অবশ্যই ক্ষতিকর।
অপর দিকে সয়াবিন তেলে থাকা দুর্গন্ধ দূর করার জন্য অবশ্যই কমিক্যাল প্রসেস করতে হয়। অর্গানিক সয়াবিন তেল বাজারে প্রাপ্ত তেলের মতো পাতলা নয়, ভারী। সয়াবিন বীজ থেকে প্রাপ্ত এই ভারী তেলকে কেমিক্যাল মিশিয়ে পাতলা ও দুর্গন্ধ মুক্ত করতে হয়। সেই কেমিক্যাল থেকেই সয়াবিনের ক্ষতিকর দিক চলে আসে। আর সেই সয়াবিনকে সোনালি রঙ দিতে আরো কিছু কেমিক্যাল যোগ করতে হয়।
তেলের এ বিষয়টি নিয়ে নয়া দিগন্তের সাথে কথা বলেছেন বারডেমের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন নাহার মহুয়া। তিনি বলেন, সরিষার তেলে অন্যান্য তেলের চেয়ে আড়াই গুণ বেশি ভালো ফ্যাট রয়েছে, যা হার্টের জন্য খুবই ভালো। অন্য দিকে সরিষার তেলের তাপ গ্রহণের ক্ষমতা বেশি। ফলে সরিষার তেলে অন্যান্য তেলের চেয়ে ট্রান্সফ্যাট কম হয়ে থাকে (ট্রান্সফ্যাট হার্টের বা হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই খারাপ এবং খুব সহজেই হার্টের ভেতর চর্বি জমিয়ে দেয়, যা সহজে গলে না এবং বেশি জমলে হার্ট অ্যাটাক হয়ে থাকে)। অপর দিকে সরিষার তেলে মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট বেশি থাকে বলে তা হার্টের জন্য ভালো। শামসুন নাহার মহুয়া আরো বলেন, সবচেয়ে ভালো হয় ঘানিতে ভাঙ্গানো সরিষার তেল। এতে কোনো কেমিক্যাল মেশানো হয় না।
সরিষার তেল খেলে রিউম্যাটিক ফিভার হয়ে থাকে এমন একটি প্রচারণা রয়েছে। সে সম্বন্ধে মতামত জানতে চাইলে পুষ্টিবিদ শামসুন নাহার মহুয়া বলেন, আমিও শুনেছি, তবে এ পর্যন্ত কোনো গবেষণায় এসব পাইনি। তিনি বলেন, কেমিক্যাল প্রসেস না হলে সব ধরনের তেলই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী, ততক্ষণ পর্যন্ত যতক্ষণ এটা চর্বি হয়ে না যায়। চর্বি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
বাংলাদেশে আগে সরিষার তেলের পাশাপাশি গরুর দুধ থেকে কিছু ঘি উৎপাদন হতো। বহু জাতিক কোম্পানিগুলো গরুর তৈরি ঘির বাজারটি ধ্বংস করার জন্য চালানো নানা ধরনের প্রচারণায় সে বাজারটিও ধ্বংসের পথে। এর পরিবর্তে বাটারঅয়েল আমদানি করা হয়েছে এবং বাটারঅয়েলের চমৎকার বিজ্ঞাপনে মুগ্ধ হয়ে মানুষ সেটি ব্যবহারে আকৃষ্ট হচ্ছে।
বাংলাদেশ জার্নাল অব সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চের ‘স্টাডিজ অব ফ্যাটি এসিড কম্পোজিশন অব এডিবল অয়েল’ শীর্ষক গবেষণায় কে চৌধুরী, এল এ বানু, এস খান, এ লতিফের যৌথ গবেষণায় সরিষার তেলে মনো অ্যান্ড পলিআনস্যাচুরেেেটড ফ্যাটি এসিড রয়েছে ৮৬.৮০ শতাংশ। সূর্যমুখী তেলে রয়েছে ৯১.৪৯ শতাংশ। ভারতের জিবি প্যান্ট ইউনিভার্সিটি অব অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজির হিনা ধাইনিক, এইচ পুনেথা, ওম প্রকাশের যৌথ গবেষণায় দেখানো হয়েছে, সরিষার তেলে মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিডের পরিমাণ ৬০ থেকে ৬১ শতাংশ পাওয়া গেছে।

সরিষার তেল মাখলে যে উপকারগুলো অবশ্যই পাবেন

 

এক সময়ে বাংলার ঘরে ঘরে শিশুদের সরিষার তেল মাখিয়ে রোদে রাখার রেওয়াজ ছিল। ধারণা ছিল, তেল ও সূর্যের ভিটামিন ডি শিশুকে ঠাণ্ডা থেকে দূরে রাখবে এবং শরীরের হাড়গোড় মজবুত হবে। শুধু তা-ই নয়, বড়রাও নিয়মিত শরীরে মাখতেন সরিষার তেল।

ত্বক বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যান্ডেড তেল কিংবা বাজারচলতি লোশনের চেয়ে সরিষার তেলে আস্থা রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ। তবে সেই তেলকে অবশ্যই খাঁটি হতে হবে।
শুধু ত্বকই নয় হৃৎপিণ্ড, পেশি, গাঁট— হাজারো সমস্যার মোকাবিলায় সরিষার তেলের বিকল্প নেই। তাই কেবল মুড়িমাখা কিংবা আচাড়ে সরিষার তেল নয়, তা কাজে লাগে নানা রোগ নিরাময়েও। কেমন সে সব? তা জেনে নিন...
• ত্বকে ঔজ্জ্বল্য আনতে প্রতিরাতে সরিষার তেলের সঙ্গে সমপরিমাণ নারিকেল তেল মিশিয়ে মিনিট দশেক ধরে মাসাজ করুন। তারপর ভাল করে মুখ ধুয়ে ঘুমোতে গেলে ত্বক যেমন নরম থাকবে, তেমনই উজ্জ্বল হবে।
• রোদে ত্বকে ট্যান পড়া স্বাভাবিক। ডার্ক স্পট, ট্যান বা পিগমেন্টেশন ঠেকাতে বেসন, দই, লেবুর রসের সঙ্গে সরিষার তেল মিশিয়ে মুখে-ঘাড়ে ১০-১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। তারপর ঠাণ্ডা পানি ধুয়ে ফেললে উপকার পাবেন।
• সরিষার তেলে রয়েছে ভিটামিন এ, ই এবং বি কমপ্লেক্স। ফলে এটি রিংকল কমাতে সাহায্য করে।
• সানস্ক্রিনে খুব ঘাম হলে বা কোনভাবে সানস্ক্রিন বাড়িতে না থাকলে অল্প সরিষার তেল হাতের তালুতে ঘষে মুখে লাগিয়ে নিলে তা সূর্যের ক্ষতিকারক আলট্রাভায়োলেট রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করবে। তবে বেশি তেলে ধুলোবালি ধরে রাখে ত্বক। তাই খেয়াল রাখবেন পরিমাণের প্রতি।
• সরিষার তেল অ্যান্টি ব্যাকটিরিয়াল ও অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদানে ভরপুর। তাই অ্যালার্জি ও র‌্যাশের হানা প্রতিরোধে সাহায্য করে।
• ত্বকের শুষ্কতা ও চুলকানি রুখতেও সরিষার তেল বিশেষ কাজে আসে।
• সরিষার তেলে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফ্যাটি অ্যাসিড ও ম্যাগনেশিয়াম থাকে, যা চুলের বৃদ্ধিতে অনেক সাহায্য করে। এ ছাড়া প্রতি রাতে চুলে সরিষার তেল মালিশ করে লাগালে চুল কালো হবে এবং চুল পাকা রোধ হবে।
• শরীরে মালিশ করলে শরীরের রক্ত সঞ্চালন এবং ঘর্মগ্রন্থি উদ্দীপিত হয় এবং শরীরের তাপমাত্রা কমে।

Mustard oil

 Mustard
oil can mean either the pressed oil used for cooking, or a pungent
essential oil also known as volatile oil of mustard. The essential oil
results from grinding mustard seed, mixing the grounds with water, and
extracting the resulting volatile oil by distillation


সরিষার তেল বা সর্ষের তেল

সরিষার তেল বা সর্ষের তেল সর্ষের বীজ নিষ্পেষণ দ্বারা প্রস্তুত তেল। এই তেল রান্নার জন্যে, এবং গায়ে মাখা বা মালিশ করার কাজে ব্যবহার হয়। সর্ষের তেলের ঝাঁঝের জন্যে সর্ষের তেলের রান্নার আলাদা বিশেষত্ব আছে।

সর্ষের তেলের ঝাঁঝের কারণ অ্যালাইল আইসোথায়োসায়ানেট নামক একটি উদ্বায়ী সালফারযুক্ত যৌগ। সর্ষের তেল যদি পানির সংস্পর্শে না আসে তাহলে কিন্তু তাতে ঝাঝঁ হয় না। তাজা সর্ষের তেলে অ্যালাইল আইসোথায়োসায়ানেট থাকে না, থাকে সিংগ্রিন নামে তার গ্লুকোসিনোলেট যৌগ। জল বা অ্যাসিডের সাথে মিশ্রণ বা আলোড়নের ফলে মাইরোসিনেজ নামে একটি উৎসেচক সক্রিয় হয়ে সিংগ্রিন থেকে গ্লুকোজ আলাদা করে দিয়ে ঝাঁঝালো অ্যালাইল আইসোথায়োসায়ানেট তৈরি করে।
সিংগ্রিন
ঝাঁঝালো অ্যালাইল আইসোথায়োসায়ানেট
সর্ষের তেলকে পাতন করলেও উচ্চতাপে মাইরোসিনেজ সক্রিয় হয়ে যায় ও অ্যালাইল আইসোথায়োসায়ানেট উবে যায়, পরে তাকে ঘনীভূত করে এই গন্ধ তেল (অ্যালাইল আইসোথায়োসায়ানেট) পাওয়া যায়। অ্যালাইল আইওডাইড ও পটাসিয়াম থায়োসায়ানেটের রাসায়নিক বিক্রিয়া দ্বারাও কৃত্রিম ভাবে এটি প্রস্তুত করা যায়। এটিকে কৃত্রিম সর্ষের তেল বলে। এটি খাবারে সর্ষের তেলের গন্ধ দেবার জন্যে ব্যবহার হয়।

সরিষার তেলের গুণাগুণ

 

ভারতীয় উপমহাদেশে খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ থেকে সর্ষের ব্যবহার হয়ে আসছে। সর্ষের তেল উদ্দীপক হিসেবে পরিচিত। অন্ত্রে পাচকরস উৎপাদনে সাহায্য করায় হজমপ্রক্রিয়া দ্রুত হয়। এ ছাড়া একই প্রক্রিয়ায় ক্ষুধা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। বিভিন্ন ভোজ্য তেলের ওপর করা একটি তুলনামূলক সমীক্ষায় দেখা যায়, সর্ষের তেল ৭০ শতাংশ হৃৎপিণ্ড–সংক্রান্ত রোগের ঝুঁকি কমায়। সর্ষের তেল ব্যবহারে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস পায়, যা হৃদ্​রোগের আশঙ্কা কমিয়ে দেয়। সর্ষে তেলের পুষ্টি উপাদান, ভিটামিন, মিনারেল চুলের অকালপক্বতা রোধ করে থাকে। সর্ষের তেলে গ্লুকোসিনোলেট নামক উপাদান থাকে, যা অ্যান্টিকারসিনোজেনিক উপাদান হিসেবে পরিচিত। তাই এটি ক্যানসারজনিত টিউমারের গঠন প্রতিরোধে সাহায্য করে। এর ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট কোলোরেক্টাল ও গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টাইনাল ক্যানসার থেকে সুরক্ষাও প্রদান করে। সর্ষের তেল চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। অকালে চুল সাদা হওয়া রোধ করে ও চুল পড়া কমায়। সর্ষের তেলে প্রচুর ভিটামিন ও খনিজ থাকে। বিশেষ করে উচ্চমাত্রার বিটা ক্যারোটিন থাকে এতে। বিটা ক্যারোটিন ভিটামিন-এতে রূপান্তরিত হয়ে চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এতে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফ্যাটি অ্যাসিড ও ম্যাগনেশিয়াম থাকে, যা চুলের বৃদ্ধিতে অনেক সাহায্য করে।

Monday, June 20, 2022

সরিষার তেল উৎপাদন

 বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের তথ্য বলছে, সরিষা বীজে সাধারণত ৪০ থেকে সর্বোচ্চ ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত তেল থাকে। এ হিসাবে এক কেজি সরিষা থেকে পাওয়া যায় ৪০০ গ্রাম তেল। ৪০ কেজি বা এক মণ সরিষা থেকে তেল মেলে ১৬ কেজি। অর্থাৎ প্রতি বছর ৫ লাখ টন সরিষা থেকে গড়ে ২ লাখ টন তেল পাওয়া যায়।


খাঁটি সরিষার তেলের

 কিন্তু গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, মানুষের ওপর এর কোনো ক্ষতিকর প্রভাব নেই। বরং অন্য সব তেলের তুলনায় অন্যতম স্বাস্থ্যকর তেল হিসেবে বিবেচনা করা হয় একে। অন্যান্য তেলের তুলনায় এতে ওমেগা ৩ ও ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণ বেশি। জেনে নিন খাঁটি সরিষার তেলের এক ডজন গুণাগুণ।


সরিষার তেল পরিপাক, রক্ত সংবহন ও রেচনতন্ত্রের শক্তিশালী উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে।

 সরিষার তেল পরিপাক, রক্ত সংবহন ও রেচনতন্ত্রের শক্তিশালী উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। এ ছাড়া খাওয়ার পাশাপাশি বাহ্যিকভাবে শরীরে মালিশ করলে শরীরের রক্ত সঞ্চালন এবং ঘর্মগ্রন্থি উদ্দীপিত হয় এবং শরীরের তাপমাত্রা কমে। সরিষার তেলে গ্লুকোসিনোলেট নামক উপাদান থাকে, যা অ্যান্টিকারসিনোজেনিক উপাদান হিসেবে পরিচিত।


সরিষার তৈলের ব্যবহার

 সরিষার তেল হার্ট, হাড়,
হজম ও স্নায়ুতন্ত্রের জন্য স্বাস্থ্যকর। এতে মনোস্যাচুরেটেড ও
পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। যারা পেটের বিভিন্ন সমস্যায় ভোগেন
তারা প্রতিদিনের রান্নায় সরিষার তেল ব্যবহার করলে উপকার পাবেন। এই তেল হজমশক্তি বাড়ায়।


সরিষার তেল উদ্দীপক হিসাবে পরিচিত

 সরিষার তেল উদ্দীপক হিসাবে পরিচিত এবং অন্ত্রে পাচক রস উত্পাদনে সাহায্য করে, তাই হজম প্রক্রিয়া দ্রুত হয়। এছাড়াও একই প্রক্রিয়ায় আমাদের সিস্টেমে পাচক রস উৎপাদন বাড়িয়ে বাড়িয়ে ক্ষুধা সহায়তা করে। এছাড়াও সরিষা তেল ঠান্ডা এবং কাশি উপশমে সহায়ক প্রমাণিত হয়েছে। এটি শ্বাসযন্ত্রের নালীর থেকে কফ অপসারণেও সাহায্য করে।


Sunday, June 19, 2022

পাচক সরিষার তৈল শতভাগ খাটি মানের নিশ্চয়তা

 পাচক সরিষার তৈল শতভাগ খাটি মানের নিশ্চয়তা


হাজার রকম ধোকার ভিড়ে আস্থা রাখুন “পাচক” এর বিশুদ্ধতায়

 হাজার রকম ধোকার ভিড়ে আস্থা রাখুন “পাচক” এর বিশুদ্ধতায়


সরিষার তেল খুব ঘন হয় এবং এতে উচ্চমাত্রার ভিটামিন ই থাকে।

 সরিষার
তেল খুব ঘন হয় এবং এতে উচ্চমাত্রার ভিটামিন ই থাকে। এই তেল ক্ষতিকর
অতিবেগুনি রশ্মি থেকে এবং অন্যান্য দূষিত পদার্থ থেকে ত্বককে সুরক্ষা করে।
তাই এটি ত্বকের ক্যানসারও প্রতিরোধ করতে পারে। ভিটামিন ই বলিরেখা ও বয়সের
ছাপ দূর করতেও সাহায্য করে।


সরিষার তেল বা সর্ষের তেল

 সরিষার
তেল বা সর্ষের তেল সর্ষের বীজ নিষ্পেষণ দ্বারা প্রস্তুত তেল। এই তেল
রান্নার জন্যে, এবং গায়ে মাখা বা মালিশ করার কাজে ব্যবহার হয়। সর্ষের
তেলের ঝাঁঝের জন্যে সর্ষের তেলের রান্নার আলাদা বিশেষত্ব আছে।


খাঁটি সরিষার তেল

 খাঁটি
সরিষার তেল বলতে সাধারণত ঘানি ভাঙ্গা সরিষার তেলকেই বোঝায়। যা সম্পূর্ণ
প্রাকৃতিকভাবে কাঠের ঘানি দ্বারা সরিষা পিষ্ট করে বের করা হয়। এই দেশীয়
পদ্ধতিতে নিঃসরণকৃত সরিষার তেলে ঝাঁজ হয় খুবই কম কিন্তু সুঘ্রাণ হয়
তীব্র।


কেন খাঁটি সরিষার তেল ব্যবহার করবেন?

 কেন খাঁটি সরিষার তেল ব্যবহার করবেন?

বাঙালির রান্নায় সরিষার তেল না থাকলে যেন জমে না। মাছ ভাজা, নানা রকম ভর্তা, মুড়ি মাখা, আচারের মতো মুখরোচক খাবারে সরিষার তেল যোগ করে আলাদা স্বাদ। ভাপ দিয়ে রাঁধতে হয়—এমন পদেও এই তেলের জুড়ি নেই। সরিষার তেল হার্টকে ভালো রাখে। ক্ষতিকর কোলেস্টরল কমায়। নানা রকম গুণ আছে সরিষার তেলের।
গতকাল শনিবার ভারতের অন্যতম প্রধান দৈনিক টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে সরিষার তেলের গুণাগুণের এমন বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।
ভারতের নামী পুষ্টিবিদ সন্ধ্যা গুগনানি বলেন, সরিষার তেল নিয়ে একটা কথা চালু আছে যে এতে ইউরিক অ্যাসিড থাকায় এটা যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ইউরোপে গ্রহণ নিষিদ্ধ। ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা করে এর ক্ষতিকর প্রভাব দেখা গেছে। কিন্তু গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, মানুষের ওপর এর কোনো ক্ষতিকর প্রভাব নেই। বরং অন্য সব তেলের তুলনায় অন্যতম স্বাস্থ্যকর তেল হিসেবে বিবেচনা করা হয় একে। অন্যান্য তেলের তুলনায় এতে ওমেগা ৩ ও ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণ বেশি। জেনে নিন খাঁটি সরিষার তেলের এক ডজন গুণাগুণ।
১. এর আছে ঝাঁজালো অনন্য স্বাদ। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ওডিশা, আসাম ও নেপালে ঐতিহ্যগত রান্নার তেল হিসেবে সরিষার তেলের ব্যবহার রয়েছে।
২. এক চা-চামচ সরিষার তেলে আছে ১২৬ ক্যালরি।
৩. সরিষার তেল অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদানসমৃদ্ধ। ত্বকের ওপর এই তেল দিয়ে ম্যাসাজ করলে ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন দূর হয়। এরা ফাঙ্গাসের বৃদ্ধি রোধ করে।
৪. পোকামাকড় সরিষার তেল সহ্য করতে পারে না। এই তেল ব্যবহার করে পোকামাকড় থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
৫. সরিষার তেলে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিড (অলিক ও লিনোলিক অ্যাসিড) চুল পুনরুজ্জীবিত করে তোলে। চুলের গোড়া মজবুত করে এবং মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। নিয়মিত
সরিষার তেল ব্যবহারে চুল পড়া কমে।
৬. সরিষার তেল শরীর উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে এবং শরীরের ঘাম বের হওয়ার গ্রন্থিগুলো পরিষ্কার ও সচল রাখে। ফলে শরীরের বর্জ্য পদার্থগুলো বের হয়ে যায়।
৭. এটি উষ্ণ তেল হিসেবে শীতের সময় শরীরে ম্যাসাজ করা যায়।
৮. এর উষ্ণতার গুণের কারণে আয়ুর্বেদশাস্ত্রে একে কফ ও কাশি প্রতিরোধক হিসেবে বলা হয়েছে।
৯. বাতের ব্যথা দূর করতে সরিষার তেলের ব্যবহার দেখা যায়।
১০. দাঁতের মাড়ির বিভিন্ন রোগ দূর করতে লবণ ও সরিষার তেল ব্যবহার করা হয়।
১১. ভারতের অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস ও স্যার গঙ্গারাম হাসপাতালের বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন ভোজ্যতেলের মধ্যে চর্বির তুলনা করে দেখেছেন, সরিষার তেলের ব্যবহারে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কমে। গবেষকেরা অলিভ অয়েল, ক্যানোলা ও সূর্যমুখী তেলের মধ্যে তুলনা করেছিলেন। প্রিভেনটিভ কার্ডিওলজি সাময়িকীতে গত ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয় গবেষণাসংক্রান্ত নিবন্ধ।
১২. সরিষার তেল আর হলুদ ফেসপ্যাক হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এতে ত্বকের খসখসে ভাব দূর হয় এবং শুষ্ক চামড়া ঝরে পড়ে। তথ্যসূত্র: টিএনএন।

খাঁটি সরিষার তেলের এক ডজন গুণাগুণ।

 কিন্তু
গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, মানুষের ওপর এর কোনো ক্ষতিকর প্রভাব নেই। বরং
অন্য সব তেলের তুলনায় অন্যতম স্বাস্থ্যকর তেল হিসেবে বিবেচনা করা হয় একে।
অন্যান্য তেলের তুলনায় এতে ওমেগা ৩ ও ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণ
বেশি। জেনে নিন খাঁটি সরিষার তেলের এক ডজন গুণাগুণ।


দেশীয় পন্য খেয়ে হই ধন্য।।

 আসুন
সচেতন হই। বিদেশী তৈল সয়াবিন বাদ দিয়ে আবার আমদের নিজেদের চাষ করা শরিষার
তৈল ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ হই। তাহলে আবার আমরা সেই সোনালী দিনে ফিরে যেতে
পারবো। না হলে বিদেশীরা আমাদের ধ্বংস করে ফেলবে। সেই স্লোগান আবার হবে
দেশীয় পন্য খেয়ে হই ধন্য।।


পাচক খাঁটি সরিষার তেল

 শীঘ্রই শুভ উদ্ধোধন

পাচক খাঁটি সরিষার তেল
সম্পূর্ণ অত্যাধনিক প্রযুক্তিতে (ডাবল ফিল্টার ) মেশিনে উন্নতমানের দেশী মাঘী সরিষার থেকে উৎপাদন করা হবে পাচক খাঁটি সরিষার তেল। বিশুব্দ প্রতিটি ফোঁটা,
আস্হার শতভাগ গুনে ও মানে সেরা।
প্রস্ততকারক:
এফ.এম ম্যানুফ্যাকচারিং
লোহাকৈর, কাশিমপুর, গাজীপুর মহানগর, গাজীপুর।
যোগাযোগ-01711003755

পাচক খাঁটি সরিষার তেল

 শীঘ্রই শুভ উদ্ধোধন

পাচক খাঁটি সরিষার তেল
সম্পূর্ণ অত্যাধনিক প্রযুক্তিতে (ডাবল ফিল্টার ) মেশিনে উন্নতমানের দেশী মাঘী সরিষার থেকে উৎপাদন করা হবে পাচক খাঁটি সরিষার তেল। বিশুব্দ প্রতিটি ফোঁটা,
আস্হার শতভাগ গুনে ও মানে সেরা।
প্রস্ততকারক:
এফ.এম ম্যানুফ্যাকচারিং
লোহাকৈর, কাশিমপুর, গাজীপুর মহানগর, গাজীপুর।
যোগাযোগ-01711003755

পাচক খাঁটি সরিষার তৈল প্রতিটি ফোঁটা বিশুদ্ধ

 পাচক খাঁটি সরিষার তৈল প্রতিটি ফোঁটা বিশুদ্ধ

খিাঁটি সরিষার তেলে হোক খাদ্যাভাস ঔষধের পিছনে আর নয় পয়সা খালাস

Pachok Mustard Oil

 আসুন
সচেতন হই। বিদেশী তৈল সয়াবিন বাদ দিয়ে আবার আমদের নিজেদের চাষ করা শরিষার
তৈল ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ হই। তাহলে আবার আমরা সেই সোনালী দিনে ফিরে যেতে
পারবো। না হলে বিদেশীরা আমাদের ধ্বংস করে ফেলবে। সেই স্লোগান আবার হবে
দেশীয় পন্য খেয়ে হই ধন্য।।


পাচক সরিষার তেল

 সরিষার
তেলে থাকা ওমেগা ৩, ওমেগা ৫ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ভিটামিন ই শরীরকে
প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর মান সরবরাহ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
সরিষার তেলের ঝাঁঝালো উপাদান শ্লেষ্মা এবং অবরুদ্ধ সাইনাস পরিষ্কার করতে
সাহায্য করে। রসুন ও লবঙ্গ দিয়ে সরিষার তেল গরম করে পা এবং বুকে মালিশ
করলে সর্দি-কাশি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।


আসুন সয়াবিন তৈল পরিহার করি আমদানি নির্ভরতা দুর করি,

 আসুন সয়াবিন তৈল পরিহার করি আমদানি নির্ভরতা দুর করি,দেশেই উৎপাদিত সরিষার তৈল খান সুস্থ থাকুন,দেশীয় পণ্য কিনে হয় ধন্য।।।


আসল বা খাঁটি সরিষার তেল

 আসল
বা খাঁটি সরিষার তেল এর তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধ হয় না। কিন্তু নকল সরিষার তেল এ
তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধ থাকে।তাই ঝাঁঝালো তৈল খুঁজতে গিয়ে নকল তৈল খাচ্ছেন
নাতো? পাচক খাঁটি সরিষার তৈল, নিখাদ সরিষা বীজে বিশুদ্ধ প্রতিটি ফোঁটা।।।


শরীষার তেলের কি কি উপকারিতা রয়েছে

 আসসালামু আলাইকুম

শরীষার তেলের কি কি উপকারিতা রয়েছে
এই সরিষার তেলের ও অনেক উপকার রয়েছে আপনার যদি এই শরিষার তেলে খেতে পারেন সব সময় তাহলে আপনাদের গেস্ট্রিকের সমস্যা থাকবেই না। বর্তমান যুগে আমরা বেশির ভাগ মানুষের দেখে থাকি গেস্ট্রিকের সমস্যা আর এই সমস্যা কারনে মানুষের প্যাট ফুলে থাকে ঠিক মতো খেতে পারে না এবং কি প্যাট অনেক জালা-পোড়া করে।
এই শরীষার তেল আপনি যদি লজ্জা ইস্থানে লাগালে তাহলেও অনেক রকমের উপকার পাবেন যেমন দরেন আপনার লজ্জা ইস্থানে কোন ইনফেকসন হবে না, আবার আপনার লজ্জা ইস্থানে কোন গোটা হবে না আর অনেক রকমের উপকার পাবেন।
মিলনের জন্য শরিষার তেল এবং রসুনের উপকার
যারা মিলনে একেবারেই দূর্বল তারা প্রতিদিন এই রসুন আর সরীষার তেল খেতে পারেন যার ফলে আপনাদের সহবাসের অক্ষমতা দূর হবে আপনি দেখবেন আপনার জন্য অনেক ভাল হবে।
এক গবেষনা বলা হয়েছে রসুন আর সরিষার তেল কেউ যদি প্রতিদিন খায় তাহলে তার সহবাস জাতিয় কোন সমস্যা থাকার কথা নয়, সরিষার তেল আর রসুন আপনার সরিলের হরমন বাড়িয়ে তোলবে যার ফলে আপনি দেখবেন আপনার সহবাসের ক্ষমতা দিন দিন বাড়তেই থাকবে এবং সহবাসের পরে আপনার শরীল দূর্বল লাগবে না।

সরিষার তেল ভেষজ প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক।

 ধনধান্যে পুষ্পে ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা - সৃষ্টিকর্তার অপরিসীম আশীর্বাদপুষ্ট আমাদের এই সুজলা, সুফলা বাংলাদেশ। অনেক আয়ুর্বেদিক আর ভেষজ ঔষধের জন্মভূমি এই বাংলাদেশ। সরিষার কথা হয়তো আমরা অনেকেই জানি কিন্তু সরিষার তেলের উপকারিতার কথা অনেকেই জানেন না। এ তেল দিয়ে শুধু ত্বকই নয়- হৃৎপিন্ড-, পেশি, গাঁটের সমস্যা পর্যন্ত দূর করা যায়।

সরিষার তেল ভেষজ প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। এটি ব্যবহারে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই এবং সহজেই হজমকারক। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বলা হয়েছে, শ্বাসনালি এবং মূত্রনালি ও ব্রঙ্কাইটিস ইনফেকশন সারাতে সরিষার তেল বিশেষ ভূমিকা রাখে। এ তেলে রোগের জীবাণু ধ্বংসের ক্ষমতা রয়েছে। এর উপাদান শরীর ক্ষুদ্রান্ত্রের মাধ্যমে গ্রহণ করে এবং ফুসফুস ও বৃহদান্ত্রের প্রয়োজনীয় জীবাণুকে কোনোরকম ক্ষতি না করেই কিডনির মাধ্যমে তা নিষ্কাশিত করে দেয়। এই তেল বৃহদান্ত্রের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ও হজমে সহায়তা করে। তবে এ ক্ষেত্রে কি রকম তেল ব্যবহার করতে হবে- সেটা না জানলে ফলাফল খারাপ হতে পারে। লক্ষ্য রাখার বিষয় হলো, শরীরের জন্য নামি-দামি ব্র্যান্ডের সরিষার তেল কিন্তু মোটেও উপকারী নয় কারন নামি-দামি ব্র্যান্ড গুলো হাইব্রীড সরিষা ব্যাবহার করে।
আসলে প্রয়োজন খাঁটি সরিষার তেল। ত্বক বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্র্যান্ডেড তেল নয়, দেশি সরিষা থেকে উৎপাদিত তৈরি করা তেল ব্যবহার করতে হবে।সরিষার তেল থেকে আরও কতগুলো উপকার মিলতে পারে। যেমন-
১. সরিষার তেল অ্যালার্জি ও র‌্যাশ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
২. ত্বকে ঔজ্জ্বল্য আনতে প্রতি রাতে সম পরিমাণ সরিষার তেল ও নারকেল তেল মিশিয়ে মিনিট দশেক ধরে মাসাজ, তারপর ভালো করে মুখ ধুয়ে ঘুমোতে গেলে ত্বক যেমন নরম থাকবে, তেমন উজ্জ্বলও হবে।
৩. ত্বকে কালসিটে পড়া স্বাভাবিক। এ অবস্থায় ডার্ক স্পট, ট্যান বা পিগমেন্টেশন ঠেকাতে বেসন, দই, লেবুর রসের সঙ্গে সরিষার তেল মিশিয়ে মুখে-ঘাড়ে ১০-১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখতে হবে। তারপর ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেললে দারুণ উপকার পাওয়া যাবে।
৪. সরিষার তেলে রয়েছে ভিটামিন এ, ই এবং বি কমপ্লেক্স। ফলে এটি রিংকল বা দেহের নানান কালসিটে দাগ কমিয়ে দেয়।
৫. সানস্ক্রিনে মুখে খুব ঘাম হলে বা ত্বক নষ্ট হতে থাকলে অল্প সরিষার তেল হাতের তালুতে ঘষে মুখে লাগিয়ে নিলে তা সূর্যের ক্ষতিকারক আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করবে। তবে বেশি তেলে ধুলোবালি ধরে রাখে ত্বক। তাই খেয়াল রাখতে হবে পরিমাণের দিকে।
৬. সরিষার তেল অ্যান্টি ব্যাকটিরিয়াল ও অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদানে ভরপুর। তাই এ তেল অ্যালার্জি ও র‌্যাশের হানা প্রতিরোধে সাহায্য করে।
৭. ত্বকের শুষ্কতা ও চুলকানি রুখতেও সরিষার তেল বিশেষ কাজে আসে।
রাজশ্রী খাঁটি সরিষার তেল আপনাকে নিশ্চয়তা দিচ্ছে শতভাগ বিশুদ্ধতার ( আমাদের তেলে কোনপ্রকার রং বা অন্য তেল মিশ্রিত করা হয় না)। যেহেতু নিজেরা উৎপাদন করি এর উপর রয়েছে নিজেদের সম্পুর্ন নিয়ন্ত্রন।
 বিক্রয় মুল্যঃ
১লিটার ২৫০ টাকা
২ লিটার ৫০০ টাকা
৫ লিটার ১০০০ টাকা
 কুরিয়ার চার্জ প্রযোজ্য
অর্ডার করুনঃ
এফ.এম ম্যানুফ্যাকচারিং
লোহাকৈর, কাশিমপুর, গাজীপুর মহানগর, গাজীপুর।
০১৭১১০০৩৭৫৫

নানা গুণের সরিষার তেল

 

নানা গুণের সরিষার তেল- সূত্র-প্রথম আলো, প্রকাশ: ১০ এপ্রিল ২০১৯, ১২: ২৬।

সরিষার তেল আমাদের ঐতিহ্যের সঙ্গেই যেন মিশে আছে। একসময় গ্রামবাংলার একমাত্র ভোজ্যতেল ছিল সরিষার তেল। এর ওষুধি গুণাগুণের জন্য প্রাচীনকাল থেকেই আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে এই তেল। সরিষার তেল যেমন প্রয়োজনীয় তেমন উপকারীও। ভারতীয় উপমহাদেশে খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ থেকে সরিষার ব্যবহার হয়ে আসছে। সরিষার তেল উদ্দীপক হিসেবে পরিচিত। অন্ত্রে পাচকরস উৎপাদনে সাহায্য করায় হজমপ্রক্রিয়া দ্রুত হয়। এ ছাড়া একই প্রক্রিয়ায় ক্ষুধা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। সর্বজনীনভাবে সরিষার তেলের ব্যবহার দিন দিন কমে যাচ্ছে। তবে এই তেলের গুণাগুণ সম্পর্কে যাঁরা অবগত আছেন, তাঁরা নিয়মিতই ব্যবহার করে চলেছেন সরিষার তেল।
সরিষাবীজ থেকে তৈরি হয় সরিষার তেল। এটি গাঢ় হলুদ বর্ণের এবং বাদামের মতো সামান্য কটু স্বাদ ও শক্তিশালী সুবাসযুক্ত তেল। ওমেগা আলফা ৩ ও ওমেগা আলফা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন ই ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সমৃদ্ধ উৎস হওয়ায় সরিষার তেলকে স্বাস্থ্যকর তেল বলা হয়। বিভিন্ন ভোজ্য তেলের ওপর করা একটি তুলনামূলক সমীক্ষায় দেখা যায়, সরিষার তেল ৭০ শতাংশ হৃৎপিণ্ড–সংক্রান্ত রোগের ঝুঁকি কমায়। সরিষার তেল ব্যবহারে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস পায়, যা হৃদ্​রোগের আশঙ্কা কমিয়ে দেয়।
এ ছাড়া সরিষা তেল ঠান্ডা ও কাশি উপশমে সহায়ক প্রমাণিত হয়েছে। যখন বুকে প্রয়োগ বা তার দৃঢ় সুবাস নিশ্বাসের মাধ্যমে নেওয়া হয়, এটা শ্বাসযন্ত্রের নালির থেকে কফ অপসারণেও সাহায্য করে। শুধু খাওয়ার জন্যই নয়, সরিষার তেল চুল ও ত্বকের যত্নেও কাজে লাগে।
সরিষার তেলের উপকারিতা
ত্বকের তামাটে ভাব দূর করে
সরিষার তেল ত্বকের তামাটে ভাব ও দাগ দূর করে এবং ত্বককে প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বল করতে পারে। এ জন্য বেসন, দই, সরিষার তেল ও কয়েক ফোঁটা লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে মিশ্রণটি আপনার ত্বকে লাগান। ১০-১৫ মিনিট পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ভালো ফল পেতে সপ্তাহে তিনবার ব্যবহার করতে পারেন।
প্রাকৃতিক সানস্ক্রিন
সরিষার তেল খুব ঘন হয় এবং এতে উচ্চমাত্রার ভিটামিন ই থাকে। এই তেল ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি থেকে এবং অন্যান্য দূষিত পদার্থ থেকে ত্বককে সুরক্ষা করে। তাই এটি ত্বকের ক্যানসারও প্রতিরোধ করতে পারে। ভিটামিন ই বলিরেখা ও বয়সের ছাপ দূর করতেও সাহায্য করে। তাই সানস্ক্রিন লোশনের মতোই ব্যবহার করতে পারেন এই সরিষার তেল। তবে এই তেল যেহেতু ঘন, তাই ত্বকে লাগানোর পর ভালোভাবে ঘষে নিতে হবে, যেন অতিরিক্ত তেল লেগে না থাকে। অন্যথায় অতিরিক্ত ধুলাবালু জমা হয়ে ত্বকের ভালোর চেয়ে খারাপই হতে পারে বেশি।
চুলের বৃদ্ধিতে সহায়ক
সরিষার তেল চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। অকালে চুল সাদা হওয়া রোধ করে ও চুল পড়া কমায়। সরিষার তেলে প্রচুর ভিটামিন ও খনিজ থাকে। বিশেষ করে উচ্চমাত্রার বিটা ক্যারোটিন থাকে এতে। বিটা ক্যারোটিন ভিটামিন-এতে রূপান্তরিত হয়ে চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এতে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফ্যাটি অ্যাসিড ও ম্যাগনেশিয়াম থাকে, যা চুলের বৃদ্ধিতে অনেক সাহায্য করে। এ ছাড়া প্রতি রাতে চুলে সরিষার তেল মালিশ করে লাগালে চুল কালো হয়।
উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে
সরিষার তেল পরিপাক, রক্ত সংবহন ও রেচনতন্ত্রের শক্তিশালী উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। এ ছাড়া খাওয়ার পাশাপাশি বাহ্যিকভাবে শরীরে মালিশ করলে শরীরের রক্ত সঞ্চালন এবং ঘর্মগ্রন্থি উদ্দীপিত হয় এবং শরীরের তাপমাত্রা কমে।
ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়
সরিষার তেলে গ্লুকোসিনোলেট নামক উপাদান থাকে, যা অ্যান্টিকারসিনোজেনিক উপাদান হিসেবে পরিচিত। তাই এটি ক্যানসারজনিত টিউমারের গঠন প্রতিরোধে সাহায্য করে। এর ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট কোলোরেক্টাল ও গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টাইনাল ক্যানসার থেকে সুরক্ষাও প্রদান করে।
চুল পাকা রোধ করতে
সরিষা তেলের পুষ্টি উপাদান, ভিটামিন, মিনারেল চুলের অকালপক্বতা রোধ করে থাকে। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই তেল মালিশ করুন চুল এবং মাথার তালুতে যা আপনার চুল পাকা রোধ করবে।
ঠোঁটফাটা রোধ করে
ঠোঁট ফাটা খুব সাধারণ একটি সমস্যা। অনেকের এই সমস্যা এত বেশি হয়ে থাকে যে লিপবাম কাজ করে না। অল্প একটু সরিষার তেল নিয়ে ঠোঁটে লাগান। এই প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার ঠোঁটফাটা রোধ করে ঠোঁট নরম কোমল করে তোলে। শুষ্ক ঠোঁটের যত্নে সরিষার তেল ভালো কাজ করে। লিপবাম বা চ্যাপস্টিক—এগুলোর পরিবর্তে সরিষার তেল ব্যবহার করতে পারেন।
কার্ডিওভাসকুলার উপকারিতা
সরিষার তেল মনোস্যাচুরেটেড ও পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাটে সমৃদ্ধ বলে কোলেস্টেরলের ভারসাম্য রক্ষা করতে সাহায্য করে। এর ফলে কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি কমে।
সতর্কতা
সরিষা তেল ব্যবহারের আগে অবশ্যই নিশ্চিত হয়ে জেনে নিতে হবে যে আপনার সরিষার তেল খাঁটি কি না? নকল বা ভেজাল সরিষার তেল ব্যবহারের ফলে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে বেশি। নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন আমাদের স্বাস্থ্যসুরক্ষায় সরিষার তেল কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু যেকোনো সরিষার তেল কি আমাদের জন্য উপকার বয়ে আনবে? মোটেও তা নয়। দোকানের খোলা সরিষার তেলে ভেজাল মিশ্রিত থাকে, যা ব্যবহার করলে নানা রকম অসুখ–বিসুখ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই খাঁটি সরিষার কেনার ক্ষেত্রে সাবধান হতে হবে।
লেখক: প্রধান পুষ্টিবিদ, বিআরবি হাসপাতাল, ঢাকা
#পাচক, #পাচক সরিষার তৈল,#পাচক মশলা #Pachok, #Pachok Mustard #Pachok , #Pachok.spices, #Pachok (পাচক), #পাচক সরিষার তৈল, #পাচক মশলা #Pachok #Pachok Mustard Oil #Pachok.spices #Pachok (পাচক) #Pachokক)


সরিষার তেলের প্রয়োজনীয়তা

 সরিষার তেলে থাকা ওমেগা ৩, ওমেগা ৫ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ভিটামিন ই শরীরকে প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর মান সরবরাহ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। সরিষার তেলের ঝাঁঝালো উপাদান শ্লেষ্মা এবং অবরুদ্ধ সাইনাস পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। রসুন ও লবঙ্গ দিয়ে সরিষার তেল গরম করে পা এবং বুকে মালিশ করলে সর্দি-কাশি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

#পাচক সরিষার তৈল,
#পাচক মশলা #Pachok
#Pachok Must#Pachok
#Pachok.spices
#Pachok (পাচক)
#পাচক সরিষার তৈল, #পাচক মশলা #Pachok #Pachok Mustard Oil #Pachok.spices #Pachok (পাচ#Pachokক)